![]() |
| শিক্ষা ও অভিজ্ঞতা |
শুধু মাত্র শিক্ষা আপনাকে চাকরির যোগ্য করে তুলতে পারে না।
শিক্ষা আর অভিজ্ঞতা মিলেই আপনি চাকরির উপযোগি হইতে পারেন।
মানুষ শ্রেষ্ঠ জীব হিসেবে সমান সম্মান আর মূল্যবোধ নিয়ে জন্মগ্রহণ করেন। কিন্তু এই সম্মানীয় জীবন গুলো ধীরে ধীরে বোধগম্য হওয়ার সাথে তাদের মুল্যবোধ আর থাকে না, সবার ক্ষেত্রে এক নয়। আর এজন্যই তো দুনিয়াতে ভিন্ন ভিন্ন চরিত্রের মানুষ পাওয়া যায়। আমাদের ব্রেন বিকশিত হওয়ার সময়কাল বা সময়সীমা হয়তো এক নয়। আর এজন্যই তো কেউ দ্রুত
বাস্তব জিবনের বাস্তবতা, কেউ সন্ত্রাস আবার কেউ বা বিচারপতি।
পৃথিবীকে চিনতে আবার কারোর অনেক দেরি হয়ে যায়। কেউ হয় বিচারপতি আবার সেই একই সমাজের মানুষ হয় বড়মাপের সন্ত্রাস ।
মানুষের জীবনের পরিবর্তন এবং উন্নতির মূল চাবিকাঠি হলো শিক্ষা। শিক্ষা মানুষকে এমন উচু পর্যায়ে নিয়ে যেতে পারে তা ধারণাহীন। আবার সেই শিক্ষাই মানুষকে এতো নিচু নামাতে পারে যা ধারণা করাও যায় না। তাই আমাদেরকে সঠিক এবং সুশিক্ষায় শিক্ষিত হতে হবে। আর না হলে যেমন আমরা ধ্বংস হবো , সেই সাথে আমাদের জাতিটাই নিঃচিহ্ন হয়ে যাবে । কারণ , প্রবাদে আছে শিক্ষা জাতির মেরুদণ্ড। একদল মানুষ বলবে আজকাল শিক্ষার মুল্য নেই, উচ্চশিক্ষায় শিক্ষিত হয়েও আজকাল নাকি মানুষ শিক্ষিত বেকার । জীবিকা নির্বাহের জন্য ভালো চাকরি পাচ্ছে না, আবার কেউ বলবে সরকার চাকরি দিচ্ছে না। কিন্তু আমরা কি একবারও ভেবে দেখেছি যে, আমরা কেন চাকরি পাচ্ছি না? আমরা লেখাপড়া শিখি জ্ঞানের আলো বৃদ্ধি করার জন্য , সামনে চলার অন্ধকার পথের আলো হিসেবে শিক্ষা কে ব্যবহার করার জন্য আমরা শিক্ষা অর্জন করি। আর আপনি কি ভাবছেন? পরিক্ষা পাস দিয়ে একটা কাগজ হাতে পেলেই চাকরি আপনার পিছনে ঘুরবে? তাহলে আপনার ভুল ধারণা।
শিক্ষা আর চাকরীর মধ্যে পার্থক্য বিদ্যমান থাকতে পারে কি?
শিক্ষা একটা বিষয় আর চাকরি আরেকটা বিষয়। চাকরি পাওয়ার ইচ্ছা পোষণ করলে আপনাকে পড়ালেখার পাশাপাশি আরোও অতিরিক্ত জ্ঞান অর্জনকরতে হবে কারণ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান আপনাকে চাকরিজীবী নয় বরং শিক্ষিত করে তোলে। আপনার মনে এখন প্রশ্ন থাকতে পারে যে, তাহলে কি দরকার এই শিক্ষার যা আমাকে আমার ক্যারিয়ার গড়তে দেয় না? কে বলেছে আপনাকে ক্যারিয়ার গড়তে দেয়না? একজন চাকরিজীবী হিসেবে আপনি শুধু আপনার ক্যারিয়ার গড়তে পারবেন কিন্তু একজন সুশিক্ষিত ও উচ্চশিক্ষায় শিক্ষিত মানুষ শুধু নিজের ক্যারিয়ার নয় বরং পুরো জাতির ক্যারিয়ার গড়তে পারে। আর প্রকৃত শিক্ষিত মানুষ কখনও বেকার হয় না, বেকার হয় যারা যাষ্ট শিক্ষা বা কোনরকম শিক্ষা অর্জন করে। একজনশিক্ষিত মানুষ চাকরি না পেলেও তাদের কর্ম সংস্থান-এর অভাব হয় না। আজকাল অনলাইন আউটসোর্সিং এমনভাবে বিস্তার লাভ করছে যে ২০২২ সালের পরে হয়তো আর কাউকে চাকরির জন্য চাপ নিতে হবেনা। আর আউটসোর্সিং মানেই কিন্তু আপনার চাপ আর নেই , বিষয়টা এমননা। আপনাকে যেকোন একটা বিষয়ের উপর এক্সপার্ট হতে হবে। পাশাপাশি ইংরেজি- তে হতে হবে দক্ষ।
কিন্তু চাকরির ক্ষেত্রে একটা মেন্টাল ব্লক রয়েছে।
অনেক সময় দেখা যায় শিক্ষা এবং অভিজ্ঞতা দুইটাই আছে কিন্তু মেন্টাল ব্লক বা মানসিক বাধা এর কারনে চাকরি টা আর পাওয়া হয় না। এখন প্রশ্ন থাকতে পারে যে , এখানে মানসিক বাধা টা আবার কি?
তো চলুন এ বিষয়ে একটু আলোচনা করা যাক।
আপনি একজন শিক্ষিত মানুষ এবং আপনার বেশ অভিজ্ঞতা আছে যে চাকরিটার সারকুলার আপনি এই মুহূর্তে পেয়েছেন। কিন্তু আপনি ভাবছেন চাকরীর কোটা আছে ১০ টা আর অ্যাপ্লাই করা হয়ে গেছে ১০০ জনের মতো। এই যে বিষয়টা আপনি ভাবছেন এটা নিছক বোকামি ছাড়া আর কিছুই না, কারন হইতে পারে তাদের মদ্ধে কেউই আপনার মতো টেলেন্ট নয়। আর সেখানে তারা আপনার মতো কাউকে খুজছেন । কিন্তু আপনি ওই যে মানুষিক বাধা গ্রস্থ হয়ে আছেন যার কারনে আপনি চাকরিটা পেলেন না। আর পাবেন বা কি করে ! আপনি তো ট্রাই করেন নি।
কেউ বলতে পারে না যে সে কোথাই এবং কখন চাকরি পেয়ে যাবে, তাই আমাদের চেষ্টা করে যেতে হবে। শুধু শুধু মানসিক বাধা গ্রস্থ হইলে চলবে না।
.লেখার গতি কমে আসছে আর লিখতে ইচ্ছে করছে না। আর যদি উৎসাহ না পায় তাহলে লেখার ইচ্ছেটাইমরে যায়। তাই কমেন্ট করে আমাকে উতসাহিত করুন।
