
ব্যক্তিগত বাস্তব অভিজ্ঞতা

আমার বাস্তব জীবনের ব্যক্তিগত কিছু ভিন্নরকম অভিজ্ঞতা ।
জীবনের অভিজ্ঞতা গুলো আমাদেরকে ব্যক্তিগত ভাবে ইতিবাচক থাকতে এবং সাফল্য হয়ে উঠার সাহস যোগায়।
একটু গল্প লেখার চেষ্টা করলাম।
আমি মোহাম্মদ হাসান । আজ আমি আপনাদের সাথে শেয়ার করতে যাচ্ছি আমার জীবনের ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতার মধ্যে একটি বিশেষ অভিজ্ঞতা যেটা না লিখে পারলাম না । অভিজ্ঞতাটি আমার বাস্তব জীবনের সঙ্গে জড়িত থাকার কারণেে আমি শিরোনামটা দিয়েছি "জীবনের ব্যক্তি গত অভিজ্ঞতা" । যাইহোক দেরিনা
করে চলে যাই মূল ঘটনায়,,,,,,,,,
ইতিবাচক গল্প লেখার মাঝে চিন্তা আর সাহস যোগাতে হয় যে কি লিখবো আর কোনটা লেখা উচিত?
কি দিয়ে লেখা শুরু করব বুজতে পারছি না । কোথা থেকে শুরু করবো তাও মাথায় আসতেছে না না। তবে লিখতে যখন শুরু করি তখন নিজেও জানি না কি লিখেতেছি আর ঘটনা কোথা থেকে কোথায় চলে যাই। প্রত্যেকটা মানুষের মতো আমার কিছু স্মৃতি আছে। আমি এখন সেগুলো শেয়ার করতে যাচ্ছি। যদিও ইতিবাচক কথার মধ্যে কটুকথা চলে আসে বেশি। কথায় বলে সত্য কথা শুনতে কটু।পড়ন্ত বিকালের অতীব বাস্তবিক কিছু স্মৃতি তুলে ধরলাম ঃ
পড়ন্ত বিকাল বেলা সন্ধ্যা ছুই ছুই ভাব তখন আমি যাচ্ছি বন্ধুর বাসাই । বন্ধুর বাসায় একদিন না গেলে সেদিন আর ভালো ভাবে ঘুমই হয় না । ও বন্ধুর নামটি তো বলা হয় নাই, দু;খিত। আমার বন্ধুর নাম শোভন। আমাদের ফ্রেন্ড সার্কেলের মধ্যে সবাই তাকে শুভো বলে ডাকি। প্রতিদিন শুভ আর আমি হরর ছিরিজ দেখি। আমাদের দুজনের মদ্ধে বেশ মিল , আমরা একসাথে খেলাকরি আবার একসাতে স্কুলে যাই। আমাদের সম্পর্কটা দেখে অনেকে বলতো আমরা নাকি দুই ভাই। কখনো আমরা ঝগড়া করি নি । আসলে লাইফ- এ ফ্রেন্ড না থাকলে যেন সবকিছু শুন্য লাগে । বিশেষ করে যদি হয় সেটা স্কুল লাইফ এ । কিন্তু এই সম্পর্ক আবার টিকিয়ে রাখাও বেশ কটিন হয়ে পরে একটা সময়।
বন্ধুকে বেশ মিস করছি বাস্তব জীবনের এই চ্যালেঞ্জিং মুহূর্তে।
বেশ খারাপ লেগেছিল যেদিন আমি আমার বেস্ট ফ্রেন্ডকে ছেড়ে অনেক দূরে চলে এসেছিলাম। খুব বেশি মিস করতাম তাকে , যখনই তার কথা মনে পড়তো আমি তাকে কল করতাম। আমার মনের ভাব প্রকাশ করতাম । দীর্ঘ সময় ধরে তার সাথে কথা বলতাম । কিন্তু সময়ের সাথে আমাদের বন্ধুর সম্পরকটাও আর আগের মতো রইলো না। ধিরে ধিরে সম্পর্কের ফাটল ধরলো।আগের মতো আর ফোন রিসিভ করে না । কথায় কথায় অযথা এমন বিজি দেখায় যে আমার জন্য তার কাছে কোন সময়ই নাই। একটা সময় আমাদের যোগাযোগ টা আর রইলো না। হয়তো প্রানের প্রিয় বন্দুটা আমাকে ভূলে গেছে আজ। কিন্তু আমি আমি আজও তার সাথে কাটান সময় গুলো মনে করে তাকে মিস করি। কিন্তু এভাবে আর কতো দিন । কারোর জন্য কারর জীবন বা সময় থেমে থাকে না। আমি আর আগের মত তাকে মনে করে মিস করে না। আজ আমার অনেক বন্ধু আছে । আশেপাশে অনেক বন্ধু , যেদিকে দেখি শুধু বন্ধু আর বন্ধু।
জেলার দূরত্ব ২ কিলোমিটার হলেও মনের দূরত্ব ২ মিনিটেরঃ
একসময় যখন স্কুলে পড়াশুনা করতাম তখন আমার সব ক্লাসমেটের বাড়ি ছিলো ২ কিলোমিটার দূরে। দূরে হইলে কি হবে ! মন তো ছুটতে থাকতো তাদের দিকে । কি আর করার আশেপাশে কোন বন্ধু ছিলো না। সকাল সকাল ঘুম থেকে উঠে বলতাম মা নাস্তা দাও। সাথে সাথে নাস্তা চলে আস্তো। কন রকম নাকে মুখে নাস্তা করে ছুটে চলতাম স্কুলে । বন্ধুদের সাথে সারাদিন ফাতরামো করতাম। একবার একদিন একজনের মাথা ফাটিয়ে দিয়েছিলাম , তারা হুমকিও দিয়েছিল আমাকে নাকি তারা মাথা ফাটাবে। কিন্তু ক্লাস টিচারের কান ধরা নিঞ্জজা টেকনিকে আমরা সমাধান পেয়েছিলাম । আর দুজনে বেশ ভালো বন্দু হয়ে গিয়েছিলাম।
আগের দিনগুলো ছিলো বেশ ভালোই। বাস্তব মূহুর্তগুলো সর্বদা মনের বিপরীতে অবস্থান করে।
আর লিখতে ভালো লাগছে না। পাশের মানুষ গুলোর জন্য বেশ বিরক্ত বোধ হচ্ছি। আজকের মতো এখানেই লেখা শেষ করছি। ভালো থাকবেন সবাই। ধন্যবাদ সবাইকে। কথা হবে অন্য কোন গল্পে।