![]() |
| pic from the blog archive. |
তুমি শুধুই আমার ছিলে।
গল্পটিতে একজন মানুষের বাস্তব কাহিনী তুলে ধরা হয়েছে ।
সময়টা ছিলো নাতিশীতোষ্ণ। ঘুরাঘুরি করার জন্য উপযোগী একটা সময়। কে না চায় এই সময়ে বন্ধু দের নিয়ে ঘুরে বেড়াতে। আমিও ঘুরতে যাবো কিন্তু বন্ধু নেই এমনই সময়.....
জুয়েল আর পারভেজ মিলে আরফানদের গ্রামের বাড়িতে বেড়াতে আসে । সেখান থেকে তারা জুয়েলের ফুফুর বাড়ি বেড়াতে যায় ।১৯শে জুন ২০১৪ বৄহস্পতিবার বেলা প্রায় ১১টা । তারপর তারা বাড়িতে উঠার সাথে সাথে জুয়েলের ফুফুকে দেখতে পায় । সেখানে তারা সালাম বিনয় করে ঘরে উঠে । কিছুখন পর ডলি আসে , মানে জুয়েলের ফুফাতো বোন । তার সাথে আরফানের খুব ভাল একটা সম্পর্ক হয়ে যায় । একে একে পলি ও বকুল আসে । তারা ও জুয়েলের ফুফাতো বোন । আরেক কথা আরফানের সাথে পলির কিন্তু চেনা জানা আগে থেকেই ।
কিভাবে তারা পরিচিত ছিলো?
এখন বলি কিভাবে চেনা জানা । ওহ Sorry চেনা বলাটা ঠিক হয়নি জানা আগে থেকে । ২০১৩ সালে পলির সাথে আরফানের ফোনে কথা হতো । জুয়েল সেটা পছন্দ করতো না । পলির সাথে সব রকমের যোগাযোগ বন্ধের কথা বলে জুয়েল !! এখন আপনাদের প্রশ্ন থাকতে পারে যে আরফানের সাথে পলির কিভাবে পরিচয় হলো ?? তাহলে বলছি শুনুন!!
তাদের প্রথম কথা।
জুয়েল মাঝে মধ্যেই আরফানের ফোন নিয়ে পলিদের সাথে কথা বলতো । একদিন বিকেলে পলি আরফানের ফোনে Missed Callদেয় । আরফান আবার Call Back করে । জানতে চায় কে আপনি?? তখন পলি বলে আমি জুয়েলের Cousine । সেখান থেকেই পলি ও আরফানের মাঝে মধ্যে কথা হয় । আরফানের কাছে তার বন্ধুত্বটাই আগে ছিলো । যার কারনে জুয়েল বলার পর পরই আরফান পলির সাথে সব যোগাযোগ বন্ধ করে দেয় ।
ফোনে কথা বলা মেয়েটার বাড়িতে হঠাথ যেয়ে দেখা করা।
আসল কথায় যাওয়া যাক!! আমরা পলিদের বাড়ি যাওয়ার পর সবাই সবার সাথে পরিচিত হই । আরফান খুব লজ্জা পাচ্ছিলো পলির সামনে যেতে । যে মেয়েকে সে মানা করেছিলো যে আপনি আমার মোবাইলে আর ফোন দিয়েন না , আজ সে মেয়ের বাসায় সে । বেপারটা কেমন না । তারপর ঐ মেয়েটার Entry । মানে সাবিনার ❤। আমি যানতে চাইলাম যে সে কে?? পলি তখন বল্ল যে তার বান্ধুবি । নাম সাবিনা।
দুজনে মধ্যকারের প্রথম কথোপকোথনঃ
সাবিনার সাথে আরফানের বলা প্রথম শব্দ হচ্ছে
Hi !! How Are You ?? But কোন Ans: আসেনি । পরবর্তী আবার দেখা হয় বাড়ির পেছনের মাঠে।
সেখানে অবশ্য একটু কথা হয় , পেয়ারা নিয়ে । সাবিনা পেয়ারা এনে সবাইকে খাওয়ায় । পেয়ারা গুলো ছোট ছিলো But বেশ মিস্টি। বিকেল বেলা চলে গেলাম পাশের গ্রামে জুয়েলের মামার বাড়ি ।
সেখানে গিয়ে কোন ভাবেই মন বসে না । কেন জানি তা বলতে পারি না । মামা এসে প্রশ্ন করলো যে ভাগিনা কি হয়েছে তোমার ? এতো ছটফট করতেছো কেন?? তাকে কি করে বোঝাই যে আমার কি হয়েছে তা আমি নিজেও জানি না ।
পরবর্তী দিন একসাথে ঘুরতে যাওয়া।।
পরদিন সকালে নাস্তা করে আমরা কাউকে কিছু না জানিয়ে আমরা ৩জন হাটতে হাটতে পলিদের বাসায় আসি । হাতে করে Energy Drink Tiger নিয়ে আসি সবার জন্য। সবার সাথে আড্ডা দেই । খুব ভাল লাগলো । তারপর দুপুরে চলে যাই মামার বাড়ি । মামা রেগে মেগে গম্ভীর। আমরা কোথায় ছিলাম এতখন জানতে চাইলো । এখানেই তো বাহিরে হাটা হাটি করছিলাম মামা । তারপর দুপুরে খাওয়া দাওয়া শেষ করে অনেক তালবাহানা দেখিয়ে সেই বাড়ি থেকে বিদায় নিলাম । আবার চলে আসলাম ফুফুর বাড়ি । ফুফুর বাড়ি আসলেই কেন জানি খুব ভালো লাগে। সন্ধ্যার দিকে বকুল এসে আমাকে বল্ল যে ভাইয়া আপনার ফোন নাম্বারটা কি দেওয়া যাবে। আমি ও দিয়ে দিলাম ।
হয়তো এটাই হবে শেষ বিদায়!
পরদিন সকালে (শনিবার) আমরা সেখান থেকে চলে যাই মাধবপুর । সেখানে যাবার কিছুখন পর একটা নাম্বার থেকে ফোন আসে। ফোন Recived করার সাথে সাথে একটা মেয়ে বলতেছে কেমন আছেন? আমি বল্লাম ভালো আছি । তো কে আপনি? তখন সে বল্ল যে আমি সাবিনা। তারপর চিনতে পারলাম। সেখান থেকেই কথা শুরু হয়। মাঝে মাঝে কথা হত। একদিন কথা না বল্লে কেমন জানি উদাস উদাস লাগতো। বন্ধুদের সাথে যখন এগুলো Share করতাম তখন তারা বলতো আমি তার প্রেমে পরে গেছি। তারা বলতো সাবিনারে Propse করার জন্য। কেন জানি সাহস পেতাম না।
সুযোগ পেলাম কিন্তু আর বলা হলো না।
