![]() |
| ইফতার আর সেহরির গুরুত্ব |
ইফতার আর সেহরি করলেই রোজা পালন হয় না: আসল ধর্মপরিচয়ের মূল্যবোধ।
রোজা পালনের সঠিক ধারণা:
মাত্র সেহরী করে উঠলাম । শরীরটার মধ্যে বেশ তাজা ভাব আইছে।
শরীর ভালো থাকলে মনটা বেশ ভালো থাকে আর মন ভালো থাকা মানে চিন্তাসমষ্টি মাথার মধ্যে ঘুরপাক করতে থাকে।
কথায় বলে না যে, পেট শান্তি তো দুনিয়া শান্তি। হুম , আসলেই কথাটা সত্য। তা না হলে এই সময়ে এতো ফালতু চিন্তা কিভাবে মাথায় আসে!
ইফতার আর সেহরি করলেই রোজা পালন হয় না।
যাই হোক যা বলছিলাম, আমরা মুসলমানরা সেহরী করি মুলত রোজা রাখার উদ্দেশ্যে।
রোজা রাখা একটা ফরজ ইবাদত। সারাদিন না খেয়ে সন্ধা বেলা ইফতারি করার নাম কিন্তু রোজা না, সেটা মাত্র না খেয়ে উপস থাকা বৈ কিছু না।
আল্লাহর আদেশ আছে দিনে না খেয়ে থাকার এজন্য আমরা না খেয়ে থাকি আর হুকুম হলে ইফতার করে রোজা ভেঙে থাকি।
কিন্তু এই না খেয়ে থাকা ছাড়াও আমাদের যে আরও বিধান আছে সেগুলো কিন্তু আমাদের অজানা নই।
তবুও আমার শুধু না খেয়ে থাকার বিধান টাকে মানি আর বাকি বিধানগুলো কে আর মানতে চাই না। মানতে চাই না বলতে গুরুত্ব দেই না।
তাহলে আমরা রোজার সম্পূর্ণ নিয়মকানুন অনুসরণ করছি না।
আর অসম্পূর্ণ কাজের ফলাফল তো কেমন হতে পারে সেটা আমার থেকে আপনিই ভালো জানেন।
যাই হোক আমি এসব কথা বলে আপনাদের চোখে দোষী হতে চাই না। যেখানে আমিই নিজই সব নিয়ম অনুসরণ করতে পারি না।
আমি মূলত রোজার কথা তুলেছিলাম অন্য একটা বিষয় আলোচনা করার জন্য।
কি ভাবছেন? তাহলে এতক্ষনে কি আলোচনা করলাম?
হুম, ঠিকই ভাবছেন তাহলে। আসলে লেখার শুরুটা করতে যেয়ে গল্পটা অন্য এক মোড় নিয়েছে। তো শুরু করা যাক,
এই যে আমরা রোজা রাখি , না খেয়ে থাকি। আমাদের কিন্তু দিন শেষ হওয়ার আগেই ক্ষুধার কষ্ট হতে থাকে। আপনার খবর জানি না কিন্তু আমার খুবই কষ্ট হয়।
তাহলে এবার ভাবুন যারা অনাহারে থাকে , কোন বেলা খেতে পারে আবার কোন বেলা উপস থাকে তাদের কি অবস্থা!
তুমি তো একমাস জোর জবরদস্তি করে বাধ্য হয়ে থাকছো।
কিন্তু তাদের তো বারো মাস একই অবস্থা। একবারও কি ভেবে দেখেছেন একথা?
ইফতার আর সেহরির গুরুত্ব:
ইফতার এবং সেহরি দুটি গুরুত্বপূর্ণ ধাপ রোজা পালনে। সেহরি এবং ইফতারের সময়ে রোজাদাররা খেয়ে দান করতে পারে, এবং এটি মুসলিম সমাজে একটি ইতিহাসের অংশ। সেহরি করা হলে সার্বিক করে সম্প্রতি মাথা খারাপ হয় বলে মনে হতে পারে। তবে, সেহরি করা স্বাস্থ্যকর এবং রোজা পালনের প্রস্তুতি জন্য গুরুত্বপূর্ণ। ইফতারের সময়ে, মুসলিমদের খাবার এবং পানীয় দান করে যেতে পারে এবং এটি একটি সামাজিক ঘটনা হিসেবে বিবেচনা করা হয়।
সমাপ্তি:
রোজা পালন সত্যিই একটি ধার্মিক অভিজ্ঞতা যা আমাদের ঈমানদারী এবং আত্মনিগুদ্ধতার মূল্যবোধ বৃদ্ধি করে। ইফতার আর সেহরি করা রোজা পালনের এই দুটি গুরুত্বপূর্ণ ধাপ আমাদের ধর্মপরিচয় ও আধ্যাত্মিক সাথে মিলে আমাদের মানবিক সংস্কার বৃদ্ধি করে। আমাদের ধারণা এবং প্রয়োজন অনুযায়ী সঠিকভাবে রোজা পালন করা যাবে, এবং এটি আমাদের মানবিক ও ধার্মিক উন্নতির পথে সাহায্য করবে।
![]() |
| ইফতারের সময়কার ছবি |

